ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা এক নজরে দেখে নিন। Take a look at the list of prohibited foods for diabetics.
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক ও পাঠীকা বৃন্দ । আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা তা নিয়ে। আপনারা অনেকেই গুগলে লিখে সার্চ করে থাকেন যে ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা এবং তাদের জন্য কোন খাবারগুলো খেলে ভালো হবে। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন ।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ বা সীমিত খাবার:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিছু খাবার এড়িয়ে চলা বা সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। সাধারণভাবে, চিনি, মিষ্টিজাতীয় খাবার, অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড, এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ বা সীমিত খাবার:
মিষ্টি খাবার:
চিনি, গুড়, মধু, মিছরি, ফলের রস, মিষ্টি পানীয়, আইসক্রিম, চকলেট, মিষ্টি বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি ইত্যাদি।
ফাস্ট ফুড:
বার্গার, পিজ্জা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, নুডলস, ফাস্ট ফুড চেইন থেকে কেনা খাবার।
প্রক্রিয়াজাত খাবার:
প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, ফাস্ট ফুড, ক্যানজাত খাবার, বেকারি আইটেম।
অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত খাবার:
সাদা ভাত, সাদা রুটি, আলু, ভুট্টা, মিষ্টি আলু (পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে)।
ফ্যাট ও তেল সমৃদ্ধ খাবার:
অতিরিক্ত তেল বা চর্বিযুক্ত মাংস, ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড, ফাস্ট ফুড চেইন থেকে কেনা খাবার।
ফল:
কিছু ফল যেমন - আম, আতা, কাঁঠাল, কলা, সফেদা, এবং আঙুর এড়িয়ে চলতে হবে বা পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে, কারণ এগুলোতে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
অ্যালকোহল:
অ্যালকোহল রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে, তাই এটি এড়িয়ে চলা উচিত।
এই খাবারগুলি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই এগুলো পরিহার করা বা সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত
ডায়াবেটিস রোগীরা খাবারের ক্ষেত্রে কী কী বিশেষ খেয়াল রাখাতে পারে?
১) ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাবারের সময়ের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া খুব জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়। যারা খাবারের আগে ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাদের প্রতিদিনের রুটিনে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সময় মেনে খাওয়ার এই অভ্যাসটি শরীরের ওপর অনেকটাই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
২) খাবারের নিয়ম মানার পাশাপাশি শরীরচর্চাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই; প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটলেই অনেক উপকার পাওয়া যায়। হাঁটাচলা বা হালকা ব্যায়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে ব্যস্ত জীবনে একটু সময় বের করে নিয়মিত হাঁটাচলার অভ্যাস করলে ডায়াবেটিসের মতো রোগকেও সহজে মোকাবিলা করা যায়।
৩) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করা ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, শরীরের অবস্থা কেমন এবং শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না। এটি একদিকে যেমন শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, তেমনি ভবিষ্যতের জন্য সঠিক পরিকল্পনা করতেও সহায়ক হয়।
আর্টিকেলের শেষ কথাঃ

সিলেট আইটি বাড়ির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url