কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম কতো জেনে নিন এক নজরে। Find out the price of any brand of watch at a glance.

 

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক ও পাঠীকা বৃন্দ । আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম কতো তা নিয়ে। আপনারা অনেকেই গুগলে লিখে সার্চ করে থাকেন কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম কতো? তাদের জন্য নিয়ে আসছি সেরা মানের ব্র্যান্ডের ঘড়ি। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।


কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম কতো জেনে নিন এক নজরে। Find out the price of any brand of watch at a glance.


রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ি

রোলেক্স (Rolex) হলো সুইজারল্যান্ডের একটি বিখ্যাত ঘড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি। এটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এবং বিলাসবহুল ঘড়ি ব্র্যান্ড। এটি বিলাসবহুল হাতঘড়ির জন্য পরিচিত এবং বিশ্বজুড়ে ধনী ও অভিজাতদের পছন্দের অনুষঙ্গ। রোলেক্স ঘড়ি তার গুণমান, নির্ভুলতা, এবং ক্লাসিক ডিজাইনের জন্য পরিচিত। কোম্পানিটি ১৯০৫ সালে হ্যান্স উইলসডর্ফ এবং আলফ্রেড ডেভিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯০৮ সালে তারা তাদের ঘড়ির ব্র্যান্ড নাম হিসেবে রোলেক্স নিবন্ধন করে। 

রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ি

রোলেক্স ঘড়ির দাম সাধারণত বেশ বেশি, বিশেষ করে মডেল এবং উপাদানের উপর নির্ভর করে। রোলেক্স ঘড়ি শুধুমাত্র একটি ঘড়ি নয়, এটি একটি মর্যাদার প্রতীক এবং আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে। এটি এমন একটি ব্র্যান্ড যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় পছন্দ হয়ে উঠেছে। কিছু রোলেক্স ঘড়ির দাম কয়েক হাজার ডলার থেকে শুরু করে কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে কমদামি রোলেক্স ঘড়ির দামও কয়েক লাখ টাকা হতে পারে।

রোলেক্স ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

গুণমান:

রোলেক্স ঘড়ি তৈরিতে সর্বোচ্চ মানের উপকরণ এবং কৌশল ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি ঘড়ি কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। 

নির্ভরযোগ্যতা:

রোলেক্স ঘড়ি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য পরিচিত। এটি সঠিক সময় দেখানোর জন্য পরিচিত।

নকশা:

রোলেক্স ঘড়ির নকশা ক্লাসিক এবং মার্জিত, যা এটিকে সময়ের সাথে সাথে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

ঐতিহ্য:

রোলেক্সের একটি দীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। কোম্পানিটি ঘড়ি তৈরির ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ডিজাইন এবং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে। 

বিলাসিতা:

রোলেক্স ঘড়ি বিলাসিতা এবং মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি একটি মূল্যবান সম্পদ যা সময়ের সাথে সাথে এর মূল্য ধরে রাখে। 

পুনঃবিক্রয় মূল্য:

রোলেক্স ঘড়ির একটি শক্তিশালী পুনঃবিক্রয় মূল্য রয়েছে। এটি প্রায়শই একটি বিনিয়োগ হিসাবে বিবেচিত হয়। 

রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ির কিছু মডেল উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

রোলেক্স ঘড়ির কিছু জনপ্রিয় মডেল হলোঃ ডেটজাস্টসাবমেরিনারডেটোনাস্কাই-ডুয়েলার এবং ইয়ার-ডেটের। এই মডেলগুলি তাদের ডিজাইন, কর্মক্ষমতা এবং ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত।

ডেটজাস্ট (Datejust):

এটি রোলেক্সের সবচেয়ে পরিচিত এবং জনপ্রিয় মডেলগুলির মধ্যে একটি। এটি ক্লাসিক ডিজাইন এবং আধুনিক বৈশিষ্ট্যগুলির একটি চমৎকার মিশ্রণ।

সাবমেরিনার (Submariner):

ডাইভিং ঘড়ি হিসাবে পরিচিত, সাবমেরিনার তার স্থায়িত্ব এবং জলের নিচে ব্যবহারের জন্য বিখ্যাত। এটি একটি শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য ঘড়ি।

ডেটোনা (Daytona):

এটি একটি রেসিং ঘড়ি, যা তার নির্ভুলতা এবং স্পোর্টস ডিজাইনের জন্য পরিচিত। ডেটোনা মডেলটি তার কারুকার্য এবং কর্মক্ষমতা জন্য বিখ্যাত।

স্কাই-ডুয়েলার (Sky-Dweller):

এটি একটি জটিল ঘড়ি যা ভ্রমণকারীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, এটি দুটি টাইম জোন এবং একটি অ্যানুয়াল ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করে।

ইয়ার-ডেটার (year-Date):

"প্রেসিডেন্টের ঘড়ি" নামেও পরিচিত, ইয়ার-ডেটার মডেলটি তার বিলাসবহুল ডিজাইন এবং মূল্যবান ধাতু ব্যবহারের জন্য বিখ্যাত।

রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ(Rolex brand watch price in Bangladesh).

মডেল-

দাম (৳)

Submariner-

,০০,০০০ – ২৫,০০,০০০ টাকা

Daytona-

১২,০০,০০০ – ৩,০০,০০,০০০ টাকা

GMT-Master II-

,০০,০০০ – ২০,০০,০০০ টাকা

Explorer-

,০০,০০০ – ১৫,০০,০০০ টাকা

Datejust-

,০০,০০০ – ১২,০০,০০০ টাকা

স্কাই-ডুয়েলার দাম বাংলাদেশ

স্কাই-ডুয়েলার (Sky-Dweller):এই ঘড়িটি বাংলাদেশে পাওয়া যায়, এবং এর দাম সাধারণত প্রায় ১৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়।

রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ(Rolex brand watch price in Bangladesh).

রোলেক্স ঘড়ির দাম সাধারণত ৬,৯০০ ডলার (প্রায় ৬,৩০০ ইউরো) থেকে শুরু হয়। তবে, সোনার তৈরি মডেল বা বিশেষ সংস্করণের ঘড়ির দাম আরও বেশি হতে পারে। কিছু রোলেক্স মডেলের দাম ৪৪,২০০ ইউরো (প্রায় ৪৪,২০০ ইউরো) পর্যন্ত হতে পারে, যেমনটি কালবেলা জানিয়েছে। রোলেক্স ঘড়ি সাধারণত তাদের গুণমান, স্থায়িত্ব এবং ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, যা তাদের দামকে প্রভাবিত করে। 

টিসট ব্র্যান্ডের ঘড়ি

টিসট (Tissot) একটি সুইস ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড। এটি একটি বিখ্যাত বিলাসবহুল ঘড়ি প্রস্তুতকারক এবং সোয়াচ গ্রুপের মালিকানাধীন। টিসট ঘড়িগুলো তাদের গুণমান, ডিজাইন এবং উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত।বাংলাদেশে Tissot ঘড়ির দাম সাধারণত মডেল, ডিজাইন এবং উপাদানের উপর নির্ভর করে। 

টিসট ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

প্রতিষ্ঠা: 

টিসট ১৮৫৩ সালে সুইজারল্যান্ডের লাউকলে শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

মালিকানা: 

এটি বর্তমানে সোয়াচ গ্রুপের একটি অংশ। 

গুণমান:

টিসট ঘড়িগুলি তাদের উচ্চ মানের উপকরণ এবং নির্ভুলতার জন্য পরিচিত। 

বৈশিষ্ট্য: 

টিসট ঘড়িতে সাধারণত সুইস মুভমেন্ট (S movement) ব্যবহার করা হয়। 

ধরন: 

টিসট বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি তৈরি করে, যেমন - ক্লাসিক, স্পোর্টি এবং ডিজাইন ঘড়ি। 

কিছু জনপ্রিয় মডেল:

টিসট পিআরএক্স (PRX), টি-স্পোর্ট (T-Sport), টি-ওভারসিজ (T-Overseas), এবং টি-স্পিরিট (T-Spirit) ইত্যাদি। 

টিসট ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ

টিসট ঘড়ির দাম বাংলাদেশে সাধারণত ১৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা ঘড়ির মডেল, বৈশিষ্ট্য এবং উপাদানের উপর নির্ভর করে। বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন দোকানে এই ঘড়িগুলো পাওয়া যায়।

টিসট ব্র্যান্ডের ঘড়ি এবং কিছু মডেল দাম উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপঃ-

টিসট PRC 200:

এটি একটি স্পোর্টস ঘড়ি, যা ডাইভিং এবং অন্যান্য জলজ কার্যকলাপের জন্য উপযুক্ত। এর দাম প্রায় ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

টিসটcouturier:

এই মডেলটি একটি ক্লাসিক ডিজাইন এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। এর দাম প্রায় ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

টিসট Everytime:

এটি একটি সাধারণ কিন্তু মার্জিত ঘড়ি, যা সব ধরণের পোশাকের সাথে মানানসই। এর দাম প্রায় ১৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

টিসট T-Race:

এটি একটি রেসিং-অনুপ্রাণিত ঘড়ি, যা স্পোর্টস প্রেমীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর দাম প্রায় ৪০,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

টিসট Le Locle:

এই মডেলটি একটি ক্লাসিক এবং মার্জিত ঘড়ি, যা আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত। এর দাম প্রায় ৪০,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

সেইকো ব্র্যান্ডের ঘড়ি

সেইকো (Seiko) একটি সুপরিচিত জাপানি ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড। তারা ঘড়ি ডিজাইন, উৎপাদন এবং বাজারজাত করে। সেইকো তাদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, গুণমান এবং কারুকার্যের জন্য পরিচিত। বিশেষ করে, তারা প্রথম কোয়ার্টজ ঘড়ি (Seiko Quartz Astron) এবং প্রথম মাল্টি-ফাংশনাল ডিজিটাল ঘড়ি তৈরি করার জন্য পরিচিত। সেইকো একটি জনপ্রিয় ঘড়ি ব্র্যান্ড এবং বাংলাদেশে এর বিভিন্ন অথোরাইজড ডিলার ও অনলাইন শপ রয়েছে, যেখানে ঘড়িগুলো পাওয়া যায়। আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো মডেল বা কালেকশনের ঘড়ি খোঁজ করেন, তাহলে সেই অনুযায়ী দাম যাচাই করা যেতে পারে।

সেইকো ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

সেইকো একটি বিখ্যাত জাপানি ঘড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা, যা তার উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং উচ্চ মানের ঘড়ির জন্য পরিচিত। এটি বিশ্বের প্রথম কোয়ার্টজ ঘড়ি ("কুইন্টন") তৈরি করে এবং "গ্র্যান্ড সেইকো" নামে বিলাসবহুল ঘড়ির একটি লাইনও রয়েছে।

প্রতিষ্ঠা:

১৮৮১ সালে টোকিওতে কিতারো হাটোরি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। 

কোয়ার্টজ ঘড়ি:

 ১৯৬৯ সালে সেইকো বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক কোয়ার্টজ হাতঘড়ি তৈরি করে। 

গ্র্যান্ড সেইকো: 

এটি সেইকোর একটি বিলাসবহুল ঘড়ির লাইন, যা দক্ষ কারিগরদের দ্বারা তৈরি করা হয়। 

উল্লম্ব সমন্বয়:

সেইকো এবং রোলেক্স দুটি ঘড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি, যারা ঘড়ির উপাদান তৈরি থেকে শুরু করে অ্যাসেম্বলি, সমন্বয় এবং পরিদর্শন পর্যন্ত সব কাজ নিজেরাই করে। 

Seiko 5:

 এটি সেইকোর একটি জনপ্রিয় সিরিজ, যা টেকসই এবং নির্ভরযোগ্যতার জন্য পরিচিত। 

মূল্য: 

সেইকো ঘড়িগুলির দাম সাধারণত যুক্তিসঙ্গত এবং কিছু মডেল সময়ের সাথে সাথে তাদের মূল্য ধরে রাখতে পারে। 

নকল ঘড়ি:

 বাজারে সেইকোর নকল ঘড়ি পাওয়া যায়, তাই আসল ঘড়ি কেনার সময় সতর্ক থাকা উচিত।

সেইকো ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ

সেইকো ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ এ সাধারণত ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১,০০,০০০ টাকার বেশি পর্যন্ত হতে পারে, তবে কিছু বিশেষ মডেলের ঘড়ির দাম আরও বেশি হতে পারে। টাইম অ্যাক্সেস স্টোর এবং শপজেড বিডি এর মতো অনলাইন স্টোরগুলোতে সেইকো ঘড়ির দাম দেখতে পারেন।

সেইকো  ব্র্যান্ডের ঘড়ি এবং কিছু মডেলের দাম উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপঃ-
  • সেইকো প্রস্পেক্স "টুনা সেভ দ্য ওশান" অটোমেটিক ঘড়ি (SRPG59K1): আনুমানিক ৫৫,০০০ টাকা।
  • সেইকো অ্যানালগ অটোমেটিক মেনস ঘড়ি (SRPH92K1): ৩২,৯০০ টাকা থেকে ৩৮,৫০০ টাকা পর্যন্ত।
  • সেইকো প্রস্পেক্স স্টাইল৬০'স হোয়াইট ডায়াল অটোমেটিক ঘড়ি (SRPG03J1): ৫৫,০০০ টাকা থেকে ৬২,০০০ টাকা পর্যন্ত। টাইম অ্যাক্সেস স্টোর
  • সেইকো এসআরইউ560পি১ কনসেপচুয়াল স্যাফায়ার ক্রিস্টাল ডায়াল ব্ল্যাক সিলিকন ঘড়ি: ৩৬,৮০০ টাকা। শপজেড বিডি
  • সেইকো এসআরইউ287পি১ এসটি ব্লু এলটি লেদার কোয়ার্টজ ঘড়ি (পুরুষ): ২৬,৫৫০ টাকা। দারাজ
  • সেইকো এসআরপিবি41জে১ এসটি ব্লু এমটি স্টেইনলেস স্টিল ঘড়ি (পুরুষ): ৬৪,২৫০ টাকা। দারাজ।
এই দামগুলো আনুমানিক এবং বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতার কাছে ভিন্ন হতে পারে। আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো মডেলের দাম জানতে চান, তাহলে সেই মডেলের নাম উল্লেখ করে অনুসন্ধান করতে পারেন অথবা টাইম অ্যাক্সেস স্টোর, শপজেড বিডি, দারাজ, অথবা ওয়াচ শপ বিডি এর মতো ওয়েবসাইটগুলোতে দেখতে পারেন।

ক্যাসিয়ো ব্র্যান্ডের ঘড়ি

ক্যাসিয়ো একটি জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি, যা ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য তৈরি করে। ঘড়ি তৈরিতে ক্যাসিয়োর খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। কোম্পানিটি ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে তাদের প্রথম ডিজিটাল হাতঘড়ি "ক্যাসিয়োট্রন" বাজারে আনে। ক্যাসিয়ো ঘড়িগুলো তাদের স্থায়িত্ব, নির্ভরযোগ্যতা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য পরিচিত। বিশেষ করে ক্যাসিও F-91W মডেলটি এর কম দাম, দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ এবং আইকনিক ডিজাইনের জন্য পরিচিত। বাংলাদেশেও এই ঘড়িটি খুবই জনপ্রিয় ছিল এবং এখনো অনেকে ব্যবহার করেন।

ক্যাসিয়ো ব্র্যান্ডের ঘড়ি

ক্যাসিও ঘড়ি বাংলাদেশের বাজারে বেশ জনপ্রিয়। অনেক মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারের জন্য ক্যাসিও ঘড়ি পছন্দ করে। বিশেষ করে, ক্যাসিও জি-শক ঘড়িগুলো বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়, যা তাদের স্থায়িত্ব এবং শক্তিশালী নকশার জন্য পরিচিত। এছাড়াও, ক্যাসিও তাদের বিভিন্ন ডিজাইন এবং প্রযুক্তির কারণে তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও বেশ জনপ্রিয়

ক্যাসিয়ো ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:

ক্যাসিয়ো কম্পিউটার কোং লিমিটেড ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

প্রথম ডিজিটাল ঘড়ি:

১৯৭৪ সালে ক্যাসিয়ো তাদের প্রথম ডিজিটাল হাতঘড়ি "ক্যাসিয়োট্রন" নিয়ে আসে। 

বৈশিষ্ট্য:

ক্যাসিয়ো ঘড়িগুলো সাধারণত হালকা ও টেকসই হয়ে থাকে। এগুলোতে বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য থাকে, যেমন - স্টপওয়াচ, এলার্ম, ক্যালেন্ডার, ব্যাকলাইট ইত্যাদি। 

বিভিন্ন মডেল:

ক্যাসিয়োর বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি বাজারে পাওয়া যায়, যেমন - জি-শক (G-Shock), বেবি-জি (Baby-G), ডাটা ব্যাংক (Data Bank) ইত্যাদি। 

জনপ্রিয়তা:

ক্যাসিয়ো ঘড়ি, বিশেষ করে F-91W মডেলটি, বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। 

নকল ঘড়ি:

ক্যাসিয়োর জনপ্রিয়তার কারণে বাজারে এর নকল ঘড়িও পাওয়া যায়। 
ব্যবহার:

ক্যাসিয়ো ঘড়ি খেলাধুলা, প্রতিদিনের ব্যবহার, এবং বিভিন্ন পেশাজীবীদের জন্য উপযোগী। 

অর্থনৈতিক প্রভাব:

ক্যাসিয়ো ঘড়ি শুধু একটি পণ্য নয়, এটি একটি সংস্কৃতির অংশও বটে, বিশেষ করে F-91W মডেলটি। 

ক্যাসিয়ো ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ(casio brand watch price in Bangladesh).

ক্যাসিয়ো ব্র্যান্ডের ঘড়ির দামঃ-সাধারণত, ক্যাসিও ঘড়ির দাম ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫,০০০ টাকা বা তার বেশিও হতে পারে। ক্যাসিও ঘড়ির দাম বাংলাদেশ ২০২৫ সালে বিভিন্ন মডেল ও বিক্রেতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হবে।

কিছু জনপ্রিয় মডেল এবং তাদের সম্ভাব্য দাম উল্লেখ পূর্বক দেওয়া হলো:

ক্যাসিয়ো এফ-৯১ডব্লিউ-১ (Casio F-91W-1):

এটি একটি ক্লাসিক ডিজিটাল ঘড়ি যা খুবই সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এর দাম আনুমানিক ১,৫৫০ টাকা হতে পারে।

ক্যাসিয়ো এই-১২০ডব্লিউএম (Casio AE-120WH):

এটি একটি মাল্টিফাংশনাল ডিজিটাল ঘড়ি যা বিভিন্ন ফিচার সহ আসে। বাংলাদেশে এর দাম আনুমানিক ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা হতে পারে।

ক্যাসিয়ো জি-শক (Casio G-Shock) সিরিজ:

জি-শক ঘড়িগুলো তাদের শক্তিশালী ডিজাইন এবং শক রেজিস্ট্যান্সের জন্য পরিচিত। বিভিন্ন মডেলের দাম ৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০,০০০ টাকা বা তার বেশিও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, জি-শক জিএ-২০০ মডেলের দাম সাধারণত ৭,০০০-১২,০০০ টাকার মধ্যে থাকে।

ক্যাসিয়ো এডিফিস (Casio Edifice) সিরিজ:

এটি একটি স্পোর্টি এবং স্টাইলিশ ঘড়ি যা বিভিন্ন ধরণের মেকানিক্যাল ঘড়ি প্রেমীদের জন্য উপযুক্ত। বাংলাদেশে এর দাম ৬,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫,০০০ টাকা বা তার বেশিও হতে পারে।

ক্যাসিয়ো ডেটা ব্যাংক (Casio Databank):

এই ঘড়িগুলোতে ডেটা স্টোরেজ এবং অন্যান্য ফাংশন থাকে। বাংলাদেশে এর দাম ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে।
  • ক্যাসিও W-800H-1AV ক্লাসিক ডিজিটাল স্পোর্টস ঘড়ি: প্রায় ২,৫৯৯ টাকা 
  • ক্যাসিও AE-1000W-3AVDF ওয়ার্ল্ড টাইম ঘড়ি: প্রায় ৩,৫৮০ টাকা 
  • ক্যাসিও MDV106-1AV 200 M WR পুরুষদের কালো ডাইভ ঘড়ি: প্রায় ১১,৫০০ টাকা

সিটিজেন ব্র্যান্ডের ঘড়ি

সিটিজেন একটি সুপরিচিত জাপানি ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড। এটি ঘড়ি তৈরির জন্য বিখ্যাত, তবে ক্যালকুলেটর, প্রিন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীও তৈরি করে থাকে। সিটিজেন ঘড়ি তার গুণমান, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি (যেমন Eco-Drive) এবং আধুনিক নকশার জন্য পরিচিত।

সিটিজেন ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

উপাদান:

ঘড়ির কেস, স্ট্র্যাপ এবং অন্যান্য অংশের উপাদান (যেমন স্টেইনলেস স্টিল, টাইটানিয়াম, ইত্যাদি) দামের উপর প্রভাব ফেলে।

বৈশিষ্ট্য:

ঘড়ির মধ্যে থাকা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (যেমন ক্রোনোমিটার, ডেট ডিসপ্লে, ইত্যাদি) দাম বাড়াতে পারে।

ইকো-ড্রাইভ প্রযুক্তি:

এই প্রযুক্তিতে ঘড়িটি আলো থেকে শক্তি সঞ্চয় করে এবং ব্যাটারির প্রয়োজন ছাড়াই চলতে থাকে।

বিভিন্ন ডিজাইন:

সিটিজেন বিভিন্ন ধরণের ঘড়ি তৈরি করে, যার মধ্যে রয়েছে ক্লাসিক ডিজাইন থেকে শুরু করে আধুনিক এবং টেকসই ঘড়ি। 

গুণমান এবং নির্ভুলতা:

সিটিজেন ঘড়িগুলি তাদের গুণমান এবং নির্ভুলতার জন্য পরিচিত। 

বহু দেশে পরিচিতি:

সিটিজেন একটি বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড এবং ১৪০টিরও বেশি দেশে এর ঘড়ি পাওয়া যায়, বলছে সিটিজেন ওয়াচ গ্লোবাল নেটওয়ার্ক। 

সিটিজেন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ

সিটিজেন ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশে ৩৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৬,৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বিভিন্ন মডেল ও ফিচারের উপর ভিত্তি করে দামের এই তারতম্য দেখা যায়। 

সিটিজেন ব্র্যান্ডের ঘড়ি এবং কিছু মডেল দাম উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপঃ-

  • Citizen \"Open Heart\" Blue Dial Automatic Men\'s Watch NH9130-84L: প্রায় ৩৩,৫০০ টাকা।
  • Citizen \"Open Heart\" White Dial Automatic Men\'s Watch NH9130-84A: প্রায় ৩৩,৫০০ টাকা।
  • Citizen Automatic White Dial Two-Tone Men's Watch NH9136-88A: প্রায় ৩৬,৫০০ টাকা।
  • CITIZEN Chronograph Quartz Black Dial Men\'s Watch AN3660-81E: প্রায় ৩৩,৫০০ টাকা।
  • Citizen NJ0150-81E Tsuyosa Men's Watch: প্রায় ১২৬৭ টাকা থেকে শুরু
  • Casio F-91W -1 Digital Watch:  ৳ ১,৫৫০
  • Citizen NJ0150-81E Tsuyosa Men's Watch:  ৳ ১,২৬৭
  • Skmei 1787 Wheel Shaped Wrist Watch:  ৳ ২,২০০
  • Baisheng Stainless Steel Watch for Man:  ৳ ৮৬৭

ডি১ মিলানো ব্র্যান্ডের ঘড়ি

ডি১ মিলানো একটি ইতালীয় ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড, যা সাধারণত তাদের আধুনিক নকশা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য পরিচিত। এই ব্র্যান্ডটি তাদের স্লিক ডিজাইন এবং বিভিন্ন রঙের ঘড়ির জন্য পরিচিত, যা ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত। ডি১ মিলানো ঘড়িগুলো হালকা ওজনের এবং আরামদায়ক হওয়ায় দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বেশ জনপ্রিয়।

ডি১ মিলানো ব্র্যান্ডের ঘড়ি

ডি১ মিলানো একটি ইতালীয় ঘড়ি প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড। বাংলাদেশে এই ব্র্যান্ডের ঘড়ি ২০২৫ সালে পাওয়া যাবে। Smartdeal.com.bd এবং অন্যান্য অনলাইন ও অফলাইন ঘড়ির দোকানে এই ঘড়ি কেনা যেতে পারে। Smartdeal.com.bd তাদের ওয়েবসাইটে D1 Milano ঘড়ির বিভিন্ন মডেল ও দাম দেখতে পাওয়া যায়। 
ডি১ মিলানো ব্র্যান্ডের ঘড়ি সাধারণত তাদের আধুনিক ডিজাইন এবং হালকা ওজনের জন্য পরিচিত। এই ব্র্যান্ডের ঘড়িগুলি বিভিন্ন ধরনের মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি, যেমন স্টেইনলেস স্টিল, পলিকার্বোনেট এবং সিরামিক। বাংলাদেশে এই ঘড়িগুলোর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, কারণ এটি ফ্যাশন সচেতনদের জন্য একটি জনপ্রিয় পছন্দ।

ডি১ মিলানো ঘড়ি কেন এত জনপ্রিয়,তার কিছু কারণ উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপ দেওয়া হলো:

নকশা:

ডি১ মিলানো ঘড়িগুলো সাধারণত আধুনিক এবং ন্যূনতম নকশার হয়ে থাকে। তাদের সরু কেস এবং পরিষ্কার ডায়াল ঘড়িগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

রঙ: 

এই ব্র্যান্ডটি বিভিন্ন রঙে ঘড়ি তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীদের তাদের ব্যক্তিগত স্টাইল অনুসারে ঘড়ি পছন্দ করার সুযোগ দেয়।
BDStall-এর মতে, তারা নিয়মিত নতুন রঙ এবং ডিজাইন নিয়ে আসে।

উপাদান:

ডি১ মিলানো ঘড়িগুলো সাধারণত স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালয় দিয়ে তৈরি করা হয়, যা ঘড়ির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

মূল্য:

এই ব্র্যান্ডের ঘড়িগুলোর দাম সাধারণত অন্যান্য জনপ্রিয় সুইস ব্র্যান্ডের তুলনায় কম হয়ে থাকে। BDStall-এর ঘড়ির মূল্য তালিকা অনুসারে, ডি১ মিলানো ঘড়িগুলো সাধারণত ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

ব্যবহার:

তাদের হালকা ও আরামদায়ক নকশার কারণে ডি১ মিলানো ঘড়িগুলো প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।

উপलब्ধতা:

বাংলাদেশে বিভিন্ন অনলাইন শপ এবং ঘড়ির দোকানে ডি১ মিলানো ঘড়ি পাওয়া যায়। যেমন BDStall।

ডি১ মিলানো ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম বাংলাদেশ

ডি১ মিলানো (D1 Milano) ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম সাধারণত ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা মডেল এবং উপাদানের ওপর নির্ভর করে।

ডি১ মিলানো ব্র্যান্ডের ঘড়ি এবং কিছু মডেল দাম উল্লেখ পূর্বক নিম্নরুপঃ-

D1 Milano Skeleton:

এই মডেলটিতে একটি খোলা ডিজাইন দেখা যায়, যেখানে ঘড়ির যন্ত্রাংশ দেখা যায়। এর দাম সাধারণত ৬০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়।

D1 Milano Ultra Thin:

এই ঘড়িটি খুবই পাতলা এবং হালকা, যা প্রায় ৩৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়।

D1 Milano Polycarbon:

এটি হালকা ও টেকসই পলিকার্বোনেট উপাদান দিয়ে তৈরি এবং এর দাম প্রায় ৪০,০০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে।

D1 Milano Chronograph:

ক্রোনোগ্রাফ মডেলগুলোর দাম সাধারণত ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয় এবং কিছু মডেলের দাম কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এই দামগুলো আনুমানিক এবং বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন স্টোরে ভিন্ন হতে পারে। ঘড়ি কেনার আগে, দাম যাচাই করে নেওয়া ভালো। ঘড়ি বিষয়ক একটি অনলাইন শপ BDStall এ ঘড়ির বিভিন্ন মডেল ও দাম দেখতে পারেন।

বিনবন্ড 2521 অরিজিনাল লাক্সারি ব্র্যান্ড লুমিনাস কোয়ার্টজ ওয়াচ ফর মেনসঃ

বিনবন্ড ২৫২১ একটি অরিজিনাল লাক্সারি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, যা পুরুষদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি কোয়ার্টজ ঘড়ি, যাতে আলো বিকিরণ করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই ঘড়িটি প্রিমিয়াম ফিনিশিং এবং মজবুত উপাদান দিয়ে তৈরি, যা এটিকে একটি আড়ম্বরপূর্ণ চেহারা দেয়। 

এই ঘড়ির মূল বৈশিষ্ট্যগুলি হলো: 
  • ব্র্যান্ড: বিনবন্ড (BINBOND)
  • মডেল: ২৫২১ (2521)
  • প্রকার: লাক্সারি, লুমিনাস (আলো বিকিরণ করে), কোয়ার্টজ
  • লিঙ্গ: পুরুষদের জন্য
  • বৈশিষ্ট্য: আলোকিত, ক্যালেন্ডার, প্রভাব প্রতিরোধের
বাংলাদেশে বিনবন্ড ঘরিটির দাম:সাধারণত বাংলাদেশে ১০০০-২০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে । এই ঘড়িটির দাম বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন হতে পারে।

আর্টিকেলের শেষ কথাঃ 

আশা করি আজকের এই পোস্টটি আপনাদের অনেক বেশি উপকারে এসেছে । আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত এই ধরনের পোস্ট করা হয় । আপনি চাইলে আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারেন । আজকের এই পোস্টটি যদি আপনার পছন্দ হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই পরিচিতদের সাথে শেয়ার করবেন । এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সিলেট আইটি বাড়ির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url